- আমন্ড অয়েল রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়। নিয়মিত আমন্ড অয়েল ব্যবহার করলে ত্বক, চুল নরম থাকে, শুকনো হয়ে যায় না। ভিটামিন ই সূর্যরশ্মির ফলে ক্ষতি হওয়া থেকে ত্বক রক্ষা করে, ত্বকে বয়সের প্রভাবও পড়তে দেয় না। আমন্ড অয়েল যেমন খাওয়া যায়, তেমনই ত্বক ও চুলে লাগানোও যায়।
ত্বক, চুলের পরিচর্যায় বিশেষ ভাল, স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী আমন্ড অয়েলস্বাস্থ্যের পক্ষে যেমন বিশেষ উপকারী আমন্ড, তেমনই ত্বক ও চুলের জন্য ভাল আমন্ড অয়েল। এই তেল স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভাল।বিশেষজ্ঞদের মতে, রিফাইনড আমলন্ড অয়েল বানানোর সময় যে উত্তাপ ও রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, তার ফলে পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। তার বদলে রিফাইনড না করা আমন্ড অয়েল বেশি উপকারী।আমন্ড অয়েলে ক্যালরি, ফ্যাট, ভিটামিন কে ও ভিটামিন ই থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশি পরিমাণে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকার ফলেই আমন্ড অয়েল স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী।চিকিৎসকদের মতে, আমন্ড অয়েল হার্টের রোগের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত এই তেল ব্যবহার করলে স্থুলতার সমস্যাও দূর হয়। উচ্চ রক্তচাপও কমাতে সাহায্য করে আমন্ড অয়েল।
আমন্ড খেলে যেমন রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, তেমনই আমন্ড অয়েলও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বিশেষ করে হার্টের জন্য এই তেল ভাল।
আমন্ড অয়েলে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস থাকে। তার ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। ক্যান্সারের জন্য যে ক্ষতিকর কোষগুলি দায়ী, সেগুলিকে ধ্বংস করে দেয় ভিটামিন ই।
চিকিৎসকদের মতে, রোজ সকালের খাবারে আমন্ড অয়েল থাকলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে যায়। আমন্ড অয়েল রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়।নিয়মিত আমন্ড অয়েল ব্যবহার করলে ত্বক, চুল নরম থাকে, শুকনো হয়ে যায় না। ভিটামিন ই সূর্যরশ্মির ফলে ক্ষতি হওয়া থেকে ত্বক রক্ষা করে, ত্বকে বয়সের প্রভাবও পড়তে দেয় না।আমন্ড অয়েল যেমন খাওয়া যায়, তেমনই ত্বক ও চুলে লাগানোও যায়। যেভাবেই ব্যবহার করা হোক না কেন, এই তেলের উপকার পাওয়া যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বক ও চুলের পরিচর্যায় ব্যবহার করলেও, সরাসরি রান্নায় রিফাইনড না করা আমন্ড অয়েল ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, প্রচণ্ড উত্তাপে এই তেলের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। তাই রান্না শেষ হওয়ার পর খাবারে এই তেল মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে। তার ফলে খাবারের গুণমান বাড়ে।