এই জৈব এবং রাসায়নিক মুক্ত হলুদ গুঁড়া স্বাস্থ্য-সচেতন ব্যক্তিদের জন্য আবশ্যক। ৩৫০ গ্রাম ওজন সহ, এই হলুদ গুঁড়ো আপনার খাবারে স্বাদ এবং পুষ্টি যোগ করার জন্য উপযুক্ত। আয়রন, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, গ্লুকোসামিন এবং হলুদের মতো উচ্চ-মানের উপাদান দিয়ে তৈরি, এই পাউডার নিরামিষাশীদের জন্য উপযুক্ত এবং এতে কোনো কৃত্রিম স্বাদ বা সংরক্ষণকারী নেই। প্লাস্টিকের ব্যাগের প্যাকেজিং নিশ্চিত করে যে, এই পাউডার ঘরের তাপমাত্রায় তাজা থাকবে। এই পণ্যটি যত্ন এবং দক্ষতার সাথে বাংলাদেশেই তৈরি তাই এটি আপনার পছন্দের খাবারের জন্য উপযুক্ত।
হলুদের শত গুণ
আমেরিকার কৃষি বিভাগের জাতীয় পুষ্টিগুণ তথ্যপঞ্জি মতে, ১ টেবিল চামচ হলুদগুঁড়ায় পাওয়া যায় ২৯ ক্যালরি, শূন্য দশমিক ৯১ গ্রাম প্রোটিন, শূন্য দশমিক ৩১ গ্রাম চর্বি, ৬ দশমিক ৩১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২ দশমিক ১ গ্রাম আঁশ ও শূন্য দশমিক ৩ গ্রাম গ্লুকোজ। এ ছাড়া পাওয়া যায় দৈনিক চাহিদার ২৬ শতাংশ ম্যাংগানিজ, ১৬ শতাংশ আয়রন, ৫ শতাংশ পটাশিয়াম, ৩ শতাংশ ভিটামিন সি এবং সামান্য পরিমাণ ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, ক্যালসিয়াম, কপার ও জিংক। এত সব পুষ্টি উপাদানের উপকারিতা বিচারে হলুদকে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার অন্যতম উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
হলুদে পুষ্টিগুণ তো আছেই, সেই সঙ্গে আছে বিভিন্ন রোগপ্রতিরোধকারী ক্ষমতা। প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে হলুদ যেকোনো সংক্রমণকে প্রতিহত করে। শরীরের কোনো কাটা বা পোড়া ক্ষত স্থানে হলুদ লাগিয়ে দিলে দ্রুত ক্ষত পূরণ হয়ে যায়।


